বরিশাল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫১ পিএম

জাতীয় প্রয়োজনেই এয়ারবাস থেকে বিমান কেনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। এটি কাউকে খুশি করার সিদ্ধান্ত নয়, বলেন তিনি।
রাজধানীর র্যাডিসন ব্লু ঢাকা ওয়াটার গার্ডেনে বুধবার, ৭ অক্টোবর সন্ধ্যায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স ও এয়ারবাসের মধ্যে ১০টি বিমান কেনার চুক্তি সই হয়। অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের জনগণের স্বার্থের অনুকূল নয়, এমন কোনো চুক্তিতে আমরা স্বাক্ষর করি না।’
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার দেশের এভিয়েশন খাতের চাহিদা বিবেচনা করেই চুক্তিতে সই করেছে বলে জানান তিনি। কোনো রাষ্ট্রদূত বা বন্ধুপ্রতিম দেশকে খুশি করা এর উদ্দেশ্য নয়, উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।
চুক্তির আওতায় দূরপাল্লার আন্তর্জাতিক রুটের জন্য চারটি এয়ারবাস এ৩৫০-৯০০ আসবে। আঞ্চলিক ও মাঝারি দূরত্বের রুটের জন্য আসবে ছয়টি এ৩২১নিও। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩১ সালের দিকে বিমানগুলো বহরে যুক্ত হতে শুরু করবে।
জ্বালানি-সাশ্রয়ী এসব বিমান বহর আধুনিকীকরণ, রুট নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করা ও যাত্রীসেবার মান বাড়াতে ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রীর ভাষ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, স্পেন, ইতালি ও যুক্তরাজ্যসহ ইউরোপীয় অংশীদারদের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্বেরই প্রতিফলন এই চুক্তি। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ তার প্রয়োজন ও স্বার্থ অনুযায়ীই বাণিজ্য পরিচালনা করে।’ ইউরোপের সঙ্গে বাণিজ্যিক সহযোগিতা আরও বাড়বে বলেও আশাবাদ জানান তিনি।
এয়ারবাস ইন্ডিয়া অ্যান্ড সাউথ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইউর্গেন ওয়েস্টারমেয়ার এবং বিমানের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমি এ হোসেন চুক্তিতে সই করেন। অনুষ্ঠানে নাগরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং ইইউ, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স ও স্পেনের কূটনীতিকেরা উপস্থিত ছিলেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: শাহীনা আজমীন ।। স্বত্ব © বরিশাল নিউজ ২০২৬
Developed By NextBarisal
মন্তব্য লিখুন