বরিশাল নিউজ
প্রকাশ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৫ পিএম

নির্বাচন কমিশন এখনো তফসিল ঘোষণা করেনি। আগামী বছরের শুরুতে ভোট হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আওয়ামী লীগ মাঠে না থাকায় বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যেই মূল প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে নগরবাসীর অনেকে মনে করছেন।
সিটির সবশেষ দুটি নির্বাচনে মেয়র হয়েছেন আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাদিক আবদুল্লাহ ও আবুল খায়ের আবদুল্লাহ। বিএনপি ও জামায়াত অংশ নেয়নি ২০২৩ সালের নির্বাচনে।
বিএনপির ১১ প্রত্যাশী
মেয়র পদে মনোনয়ন চাইছেন যে ১১ নেতা, তাঁরা হলেন:
দলের একাধিক মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মী মনে করেন, মনোনয়ন নিয়ে দ্বন্দ্ব ও ঘরানার বিরোধ না মেটাতে পারলে জয় কঠিন হতে পারে।
বরিশালের জেলা পরিষদ প্রশাসক ও বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক (বরিশাল বিভাগ) আকন কুদ্দুসুর রহমান বলেন, “মনোনয়ন নিয়ে দ্বন্দ্ব আগেও ছিল। তারপরও জাতীয় নির্বাচনে বিএনপিকে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা দিয়েছে এদেশের মানুষ।” তাঁর ভাষ্য, প্রার্থী বাছাইয়ে দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বুঝেশুনেই সিদ্ধান্ত নেবেন।
জামায়াতের একক প্রার্থী
জামায়াত মেয়র পদে মনোনয়ন দিয়েছে দলের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট মোয়াজ্জেম হোসাইন হেলালকে। সর্বশেষ সংসদ নির্বাচনেও বরিশাল সদর আসনে তাঁকে মনোনয়ন দিয়েছিল দলটি। পরে হেলাল প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন।
জাতীয় নির্বাচনের সময় শুরু হওয়া গণসংযোগ হেলাল এখনো চালিয়ে যাচ্ছেন। তিনি বিভিন্ন ওয়াক্তে আলাদা আলাদা মসজিদে নামাজ আদায় করে মুসল্লিদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করছেন। জামায়াতের কর্মী-সমর্থকেরাও বাড়ি বাড়ি গিয়ে প্রচার চালাচ্ছেন।
অন্য দলের অবস্থান
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মেয়র পদে প্রার্থী ঘোষণা করেছে আইনজীবী শেখ আব্দুল্লাহ নাসিরের নাম। দলটির নায়েবে আমির মুফতি মুহাম্মাদ ফয়জুল করীম নিজে মেয়র পদে লড়বেন না বলে জানিয়েছেন। জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) চূড়ান্ত করেছে এম আনোয়ার সিকদারকে।
বাসদের পক্ষে আলোচনায় আছেন ডা. মনীষা চক্রবর্তী। গত জাতীয় নির্বাচনে বরিশাল সদর আসনে প্রার্থী হয়ে তিনি প্রায় ২৩ হাজার ভোট পেয়েছিলেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: শাহীনা আজমীন ।। স্বত্ব © বরিশাল নিউজ ২০২৬
Developed By NextBarisal
মন্তব্য লিখুন