বরিশাল নিউজ বিদেশ ডেস্ক
প্রকাশ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২১ পিএম

দুবাই থেকে তেল আভিভগামী ফ্লাইদুবাইয়ের একটি যাত্রীবাহী উড়োজাহাজ গতিপথ পরিবর্তন করে সৌদি আরবের তাবুক বিমানবন্দরে অবতরণ করেছে।
দখলদার ইসরায়েলি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে দেশটির গণমাধ্যম জানিয়েছে, বিমানের দুই পাইলটের মধ্যে ‘হাতাহাতি’ বা ‘সংঘর্ষ’ হয়েছিল। প্রায় ১৫০ জন আরোহী নিয়ে এফজেড১০৭৩ ফ্লাইটটির তেল আভিভের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে নামার কথা ছিল। যাত্রীদের বেশির ভাগই ইসরায়েলি।
বিমানটি বুধবার, ৩০ সেপেম্বর ভোরে দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে যাত্রা শুরু করে।
ফ্লাইট-পর্যবেক্ষণ ওয়েবসাইট ফ্লাইটরাডার২৪-এর তথ্য অনুযায়ী, যাত্রার প্রায় দুই ঘণ্টা পর বিমানটি একটি জরুরি সংকেত পাঠায়।
কয়েক মিনিট পর সংকেতটি ছিনতাইয়ের ঘটনা জানাতে ব্যবহৃত সংকেতে পরিবর্তিত হয়।
পরে সেটি আবার সাধারণ জরুরি সংকেতে ফিরে যায়।
ইসরায়েলের স্থানীয় গণমাধ্যম দেশটির প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, পাইলট ও সহ-পাইলটের মধ্যে ‘বাগ্বিতণ্ডা’ বা ‘সংঘর্ষের’ জেরেই জরুরি সংকেত পাঠানো হয়েছিল বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিমানে থাকা একজন ইসরায়েলি যাত্রী সাংবাদিকদের জানান, কেবিন ক্রুরা যাত্রীদের কাছে সহায়তা চান। পরে কয়েকজন যাত্রী একজন পাইলটকে নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং তাঁকে বেঁধে রাখতে সাহায্য করেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেকজন যাত্রী জেরুজালেম পোস্টকে বলেন, একজন পাইলট অপর পাইলটকে ছুরি দিয়ে আঘাত করেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, ককপিটের কাছাকাছি থাকা কয়েকজন যাত্রী ওই পাইলটকে ককপিট থেকে সরিয়ে দিতে সক্ষম হন।
ওই যাত্রী দাবি করেন, বিমানের পেছনের দিকে আরও দুইজন পাইলট ছিলেন। তিনি বলেন, “আমি তাদের দিকে চিৎকার করে বলেছিলাম যেন তারা দ্রুত গিয়ে বিমানের নিয়ন্ত্রণ নেয়।” তিনি আরও জানান, বিমানে থাকা একজন দন্তচিকিৎসক আহত পাইলটকে জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা সহায়তা দেন।
এসব বিবরণ ইসরায়েলি গণমাধ্যমে প্রকাশিত যাত্রীদের বক্তব্যভিত্তিক। স্বাধীনভাবে এগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি।
ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এক বিবৃতিতে জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। তিনি বলেন, সৌদি আরব থেকে ইসরায়েলি যাত্রীদের দেশে ফিরিয়ে আনার প্রচেষ্টা চলছে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: শাহীনা আজমীন ।। স্বত্ব © বরিশাল নিউজ ২০২৬
Developed By NextBarisal
মন্তব্য লিখুন