বরিশাল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : ২৩ আগষ্ট ২০২৬, ০৫:৫০ এএম আপডেট : ২৩ আগষ্ট ২০২৬, ০৭:২৩ পিএম

রংপুর জিলা স্কুলের অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ওরফে জুয়েলসহ তার পরিবারের চার জনের মরদেহ উদ্ধারের রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার মোহাম্মদ আবদুল মাবুদ এক সংবাদ সম্মেলনে রবিবার, ২৩ আগস্ট এ তথ্য জানান ।
এ ঘটনায় মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ নামে দুজনকে গ্রেফতারের কথাও জানান পুলিশ কমিশনার। তারা সম্পর্কে মামাতো ভাই। তিনি জানান, হত্যাকাণ্ডে এই দুজন অংশ নেন।
তিনি জানান, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে শিক্ষক পরিবারের সদস্যদের হত্যা করা হয়। ওই দুজন ছাদে বসে ইয়াবা সেবন করছিল। এ সময় শব্দ পেয়ে খালি গায়ে গলায় গামছাসহ ছাদে ওঠেন গণপতি চক্রবর্তী। ওই গামছা দিয়েই তাকে হত্যা করা হয়। শব্দ পেয়ে সিঁড়িয়ে বেয়ে ওপরে উঠতে যান তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী। তখন তাকে সিঁড়িতেই হত্যা করে ওই দুজন। পরে শব্দ শুনে ওই দম্পতির মাস্টার্স পড়ুয়া মেয়ে আগামী চক্রবর্তী প্রাপ্তি ঘর থেকে বেরিয়ে এলে তাকেও গামছা পেঁচিয়ে হত্যা করে তারা।
পুলিশ কমিশনার জানান, আগামীকে চার-পাঁচ মিনিট ধরে চেষ্টা করেও হত্যা করতে পারছিল না ওই দুজন। পরে রশি দিয়ে পেঁচিয়ে তাকে হত্যা করা হয়।
আর ওই দম্পতির ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী পিয়ম যেন তাদের পরিচয় প্রকাশ না করে দেয়, সেজন্য তাকেও শ্বাসরোধ করে হত্যা করে মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থ।
এর আগে শনিবার রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় একটি তালাবদ্ধ বাড়ি থেকে গণপতি, তার স্ত্রী প্রীতিলতা, মাস্টার্স পড়ুয়া মেয়ে আগামী এবং পঞ্চম শ্রেণি পড়ুয়া ছেলে আয়ুশের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
সম্পাদক ও প্রকাশক: শাহীনা আজমীন ।। স্বত্ব © বরিশাল নিউজ ২০২৬
Developed By NextBarisal
মন্তব্য লিখুন