Advertise top
বাংলাদেশ

গুম, খুন, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার পরিবার পুনর্বাসন অধিদপ্তর গঠিত হচ্ছে

বরিশাল নিউজ ডেস্ক

প্রকাশ : ২৩ আগষ্ট ২০২৬, ০৮:১৫ পিএম       

গুম, খুন, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যার শিকার পরিবার পুনর্বাসন অধিদপ্তর গঠিত হচ্ছে
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এক সভায় নতুন অধিদপ্তর গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। ছবি: প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনর পেজ থেকে

গুম, খুন, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তি ও পরিবারের কল্যাণ এবং পুনর্বাসনে নতুন অধিদপ্তর গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়। এ লক্ষ্যে রবিবার, ২৩ আগস্ট মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয় একটি আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা। মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয় ।

 

সভায় সভাপতিত্ব করেন এবং দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আহমেদ আযম খান এমপি। সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন এমপি এবং মন্ত্রণালয়ের সচিব মোঃ আশরাফুল ইসলাম।

 

মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য যেভাবে রাষ্ট্র স্বীকৃতি দিয়ে পৃথক অধিদপ্তর গঠন করেছে, একইভাবে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের আন্দোলনে গুম, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তিদের ত্যাগও রাষ্ট্রীয়ভাবে স্বীকৃতি পাওয়া উচিত। তিনি আরও বলেন, ভবিষ্যতে যেন কোনো পরিবারকে এভাবে স্বজন হারাতে না হয়, সে জন্যই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বক্তব্যে উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা ছিল মানুষের স্বাধীন জীবনযাপন, মানবাধিকার সুরক্ষা ও ভোটাধিকারের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা। ২০০৯ সালের পর থেকে ভোটাধিকার হরণ এবং গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে সেই চেতনা ক্ষুণ্ন হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য রাষ্ট্রের কিছু করণীয় আছে বলেও মন্তব্য করেন প্রতিমন্ত্রী।

 

সভায় মন্ত্রণালয়ের কার্যপ্রণালি তথা রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬-এর তফসিল সংশোধন করে এই নতুন দায়িত্ব মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত করার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়। জাতিসংঘের ক্ষতিপূরণ ও প্রতিকারবিষয়ক নীতিমালা এবং সংবিধান অনুসরণ করে তিনটি মূল বিষয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে সভায় জানানো হয়।

১. মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে নতুন অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করা।

২. ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি ও পরিবারের অধিকার ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিতে নতুন আইন প্রণয়ন করা।

৩. রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬ সংশোধন করে এই দায়িত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত করা।

 

সভায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, পররাষ্ট্র, জনপ্রশাসন, স্বরাষ্ট্র, অর্থ, আইন ও বিচার, সমাজকল্যাণ, স্বাস্থ্য, যুব ও ক্রীড়া, শ্রম, শিক্ষা, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


 


মন্তব্য লিখুন


Ish Brand

সর্বশেষ

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

সম্পাদক ও প্রকাশক: শাহীনা আজমীন ।। স্বত্ব © বরিশাল নিউজ ২০২৬

Developed By NextBarisal