বরিশাল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৪, ০৮:১৫ পিএম
গণপিটুনিতে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগ নেতা শামীম মোল্লার মৃত্যুর ঘটনায় প্রাথমিকভাবে জড়িত ছাত্রদলের পাঁচজনসহ সাতজনকে শনাক্ত করা গেছে। ঘটনার কয়েকটি ভিডিও থেকে তাদের শনাক্ত করা হয়েছে।
তারা হলেন ছাত্রদলের সাঈদ হোসেন ভুঁইয়া, রাজু আহমেদ, রাজন হাসান, হামিদুল্লাহ সালমান ও এম এন সোহাগ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আহসান লাবিব এবং সাধারণ শিক্ষার্থী আতিক।
এদের মধ্যে সরকার ও রাজনীতি বিভাগের ৪৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থী ও শহীদ সালাম-বরকত হলের আবাসিক ছাত্র রাজু আহমেদ, ৪৬তম ব্যাচের শিক্ষার্থী রাজন হাসান, ইংরেজি ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী হামিদুল্লাহ সালমান ও কম্পিউটার সায়েন্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ৪৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী এম এন সোহাগ, ৪৯ ব্যাচের শিক্ষার্থী আহসান লাবিব এবং ব্যবস্থাপনা বিভাগের আতিক।
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক রাশিদুল আলম বলেন, ‘আমরা এই বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে সুষ্ঠু তদন্ত শেষে বিশ্ববিদ্যালয় ও রাষ্ট্রের প্রচলিত আইন মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’
উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, ‘এ ঘটনায় তদন্ত কমিটি করা হবে। তদন্ত সাপেক্ষে জড়িতদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনা হবে।’
বুধবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এ শিক্ষার্থীকে প্রান্তিক গেট এলাকায় দেখতে পেয়ে তাকে পিটুনি দিতে চান বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা। খবর পেয়ে কিছু শিক্ষার্থী উপস্থিত হলে অন্যরা আরো বেশি উদ্যত হয়। এ সময় শিক্ষার্থীরা শামীমকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা অফিসে নিয়ে যান। সাবেক শিক্ষার্থী হওয়ায় প্রক্টরিয়াল বডি পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ প্রায় ৩ ঘণ্টা পর প্রক্টর অফিসে আসে। এরই মধ্যে অনেক শিক্ষার্থী চলে এলে প্রক্টরিয়াল টিম কয়েকবার চেষ্টা করেও আটকাতে ব্যর্থ হয়। পরে রাত সোয়া ৮টার দিকে পুলিশ এলে শামীমকে পুলিশে হস্তান্তর করা হয়। রাত সাড়ে ১১টার দিকে শামীমের মৃত্যুর খবর শোনা যায়। যদিও পুলিশ বিষয়টি রাত ১২টার দিকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: শাহীনা আজমীন ।। স্বত্ব © বরিশাল নিউজ ২০২৪
Developed By NextBarisal
মন্তব্য লিখুন