বরিশাল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:৩৪ পিএম

ঢাকার ফার্মগেটের তেজগাঁও কলেজ মসজিদ থেকে আটক ২৩ জনের মধ্যে ১২ জন ‘ইত্তেহাদুল উম্মাহ’ নামে একটি সংগঠন গড়ার পরিকল্পনা করছিলেন বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
সচিবালয়ে সংবাদ ব্রিফিংয়ে রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর তিনি বলেন, মোবাইল ফোনের ফরেনসিক পরীক্ষা ও জিজ্ঞাসাবাদে এ তথ্য মিলেছে। ওই ১২ জন বর্তমানে রিমান্ডে আছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত হয়নি।
যা বলেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
মন্ত্রীর ভাষ্য, গোয়েন্দা সংস্থার তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। নামাজ শেষেও কিছু লোক মসজিদে বসে আলোচনা করছিলেন। তাঁদের সংখ্যা ছিল সম্ভবত ২৩ জনের মতো।
ফরেনসিক পরীক্ষায় ১১ জনের বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তাঁদের অভিভাবকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকি ১২ জন খেলাফত প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ‘উগ্রবাদী’ তৎপরতার জন্য সংগঠিত হতে চেয়েছিলেন বলে মন্ত্রী দাবি করেন। বিষয়টিতে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা জানিয়ে তিনি বলেন, তদন্তে আরও তথ্য বেরিয়ে আসবে।
আদালতে যা হয়েছিল
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর বিকালে অভিযান চালিয়ে ২৩ জনকে আটক করা হয়। পরদিন শনিবার ঢাকার মহানগর হাকিম আরিফুর রহমান ১২ জনের তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। সংশ্লিষ্ট মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিটিটিসি ইউনিটের পরিদর্শক আখতার মোর্শেদ প্রত্যেকের সাত দিনের রিমান্ড চেয়েছিলেন। তাঁদের জামিনের আবেদন নাকচ হয়।
রাষ্ট্রপক্ষের অভিযোগ, তাঁরা দেশে অস্থিরতা সৃষ্টি ও জিহাদের জন্য লোক সংগ্রহের পরিকল্পনা করছিলেন। পুলিশের ভাষ্য, ‘মিটআপ’ নামের একটি গোপন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে তাঁদের যোগাযোগ ছিল। রিমান্ড আবেদনে অন্য সংশ্লিষ্টদের শনাক্ত, ডিজিটাল আলামত পরীক্ষা ও অর্থের উৎস খোঁজার কথা বলা হয়েছে। আসামিপক্ষের আইনজীবী মাসুদুর রহমান রিমান্ডের বিরোধিতা করে জামিন চান।
সূত্র: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর
সম্পাদক ও প্রকাশক: শাহীনা আজমীন ।। স্বত্ব © বরিশাল নিউজ ২০২৬
Developed By NextBarisal
মন্তব্য লিখুন