বরিশাল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : ২১ আগষ্ট ২০২৬, ০৫:৪১ পিএম

জেরুজালেমের কাছে বিতর্কিত এক ইসরায়েলি বসতি প্রকল্পের নিন্দা জানিয়েছে ছয়টি ইউরোপীয় দেশ ও কানাডা। এক হাজার দুইশর বেশি বাড়ি নির্মাণের এই প্রকল্প কার্যকর হলে অধিকৃত পশ্চিম তীর দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে যাবে বলে সমালোচকদের আশঙ্কা। যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, নেদারল্যান্ডস, নরওয়ে ও কানাডার নেতারা এক যৌথ বিবৃতিতে এই উদ্বেগ প্রকাশ করেন।
জেরুজালেমের পূর্বে একটি খোলা জমিতে একাধিক আবাসিক কমপ্লেক্স নির্মাণের জন্য দরপত্র আহ্বান করেছে ইসরায়েলের নির্মাণ ও আবাসন মন্ত্রণালয়। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে বিবেচনাধীন এই প্রকল্পের সবশেষ পদক্ষেপ এটি। সমালোচকদের ভাষ্য, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে সংযুক্ত ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের সম্ভাবনা কার্যত শেষ হয়ে যাবে।
যা বলছে যৌথ বিবৃতি
আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী এই বসতি স্থাপন স্পষ্টতই অবৈধ বলে উল্লেখ করা হয় যৌথ বিবৃতিতে। বসতি স্থাপনকারীদের হাতে বেসামরিক মানুষের বিরুদ্ধে "নজিরবিহীন মাত্রার সহিংসতা" ঘটছে বলেও উল্লেখ করা হয় সেখানে। ইসরায়েলি সরকারের প্রতি অবিলম্বে এই পরিকল্পনা প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয় বিবৃতিতে। পশ্চিম তীরে বসতি সম্প্রসারণ বন্ধ করার আহ্বানও জানানো হয় সেখানে, যাতে শান্তি প্রক্রিয়া আরও পিছিয়ে না যায়।
মিসর ও জর্ডানও পৃথকভাবে ইসরায়েলের এই পদক্ষেপের নিন্দা জানিয়েছে।
ইসরায়েলের প্রতিক্রিয়া
ইসরায়েলের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গিডিওন সা'র এই সমালোচনার জবাব দিয়েছেন বৃহস্পতিবার। ওই এলাকায় নিজেদের জাতীয় আবাসভূমি পুনঃপ্রতিষ্ঠার ঐতিহাসিক অধিকারের কথা তুলে ধরে তিনি এই প্রকল্পের পক্ষে অবস্থান নেন। ফিলিস্তিনি উগ্রপন্থাকে উপেক্ষা করে শুধু ইসরায়েলকে দোষারোপ করার অভিযোগ তুলে যুক্তরাজ্য সরকারের সমালোচনাও করেন তিনি।
যুদ্ধের বৃহত্তর প্রেক্ষাপট
একই সময়ে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাত নতুন মোড় নিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানিয়েছেন, যুদ্ধ এখন অর্থনৈতিক চাপের "নতুন পর্যায়ে" প্রবেশ করেছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে "অর্থনৈতিক ডি-ডে" ঘোষণা দেওয়ার একদিন পরই এই মন্তব্য করেন তিনি। তবে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এই হুমকিকে যুক্তরাষ্ট্রের ক্রমবর্ধমান জাতীয় ঋণ থেকে দৃষ্টি সরানোর কৌশল বলে আখ্যা দিয়েছেন।
সূত্র: CBS News, AFP, Associated Press
সম্পাদক ও প্রকাশক: শাহীনা আজমীন ।। স্বত্ব © বরিশাল নিউজ ২০২৬
Developed By NextBarisal
মন্তব্য লিখুন