বরিশাল নিউজ
প্রকাশ : ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২১ পিএম

একজনও পাস না করায় বরিশাল বোর্ডের ১১টি কলেজের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক।
বোর্ডের শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের তালিকায় এ ১১টি কলেজের নাম রয়েছে। তালিকা অনুযায়ী কলেজগুলোর পরীক্ষার্থী ছিল মোট ৪৪ জন। পরীক্ষায় অংশ নেয় ৩৭ জন। তাদের কেউ পাস করেনি।
ভোলার তিনটি কলেজ তালিকায় আছে। চরফ্যাশনের চরমানিকা জালাল আহমেদ কলেজে পরীক্ষার্থী ছিল পাঁচজন, অংশ নেয় তিনজন। লালমোহনের রামগঞ্জ সেকেন্ডারি স্কুল অ্যান্ড কলেজের চারজনই পরীক্ষা দেয়। ভোলা সদরের মেদুয়া কলেজে সাতজনের মধ্যে অংশ নেয় পাঁচজন।
পটুয়াখালীর তিনটি কলেজেও কেউ পাস করেনি। গলাচিপার বিপিসি সেকেন্ডারি স্কুল অ্যান্ড কলেজে তিনজনের মধ্যে পরীক্ষা দেয় দুজন। মির্জাগঞ্জের মজিদবাড়িয়া কলেজে পরীক্ষার্থী ছিল একজন। পটুয়াখালী সদরের আউলিয়াপুর সাবিনা আক্তার হাইস্কুল অ্যান্ড কলেজেও একজন পরীক্ষা দেয়।
বরগুনার দুটি কলেজ তালিকায় রয়েছে। বেতাগীর কাদভানু মেমোরিয়াল সেকেন্ডারি গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের দুজনই পরীক্ষা দেয়। পাথরঘাটার হোগলাপাশা কলেজের তিনজনই পরীক্ষায় বসে।
পিরোজপুরের দুটি কলেজেও একই চিত্র। নাজিরপুরের দিঘিরজান সেকেন্ডারি স্কুল অ্যান্ড কলেজের পাঁচজনই পরীক্ষা দেয়। পিরোজপুর সদরের কদমতলা জর্জ হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজে তিনজনের মধ্যে অংশ নেয় দুজন।
ঝালকাঠির একমাত্র কলেজটি নলছিটির অ্যাডভোকেট এইচ আর কে ফাউন্ডেশন কৃষি প্রযুক্তি ইনস্টিটিউট অ্যান্ড কলেজ। তালিকার সব কলেজের মধ্যে এখানেই পরীক্ষার্থী সবচেয়ে বেশি, ১০ জন। পরীক্ষা দেয় নয়জন। বরিশাল জেলার কোনো কলেজ এ তালিকায় নেই।
পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক শরীফ মোর্শেদ রেজা জানান, যে প্রতিষ্ঠানে কেউ পাস করেনি, তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, যারা নিয়মিত পড়াশোনা করেছে, তারাই কাঙ্ক্ষিত ফল পেয়েছে।
বিপরীত চিত্রও আছে। বোর্ডের অধীন তিনটি কলেজে শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। এবার বোর্ডের ৩৫০টি কলেজ থেকে ৫৭ হাজার ৯১২ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়। পাসের হার ৪৪.৮৪ শতাংশ।
সম্পাদক ও প্রকাশক: শাহীনা আজমীন ।। স্বত্ব © বরিশাল নিউজ ২০২৬
Developed By NextBarisal
মন্তব্য লিখুন