বরিশাল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১৩ পিএম

দর্পণ বিসর্জনের মধ্য দিয়ে আজ দশমীতে শেষ হয়েছে দুর্গাপূজার শাস্ত্রীয় আনুষ্ঠানিকতা। এরপর শুরু হয়েছে সিঁদুর খেলা ও প্রতিমা বিসর্জনের প্রস্তুতি।
পটুয়াখালীর ১৯৪টি মণ্ডপের অধিকাংশে সকালে দশমীবিহিত পূজা, দর্পণ বিসর্জন ও প্রতিমা বিসর্জন হয়। শঙ্খধ্বনি, উলুধ্বনি ও ঢাকের বাদ্যে মুখর হয়ে ওঠে মণ্ডপগুলো। দুপুরের পর নারীরা সিঁদুর খেলায় অংশ নেন।
ঢাকেশ্বরী জাতীয় মন্দিরে বুধবার, ২১ অক্টোবর সকালে ভক্তরা দেবীর চরণে শেষ অর্ঘ্য দেন। দর্পণ ও ঘট বিসর্জনের পর শুরু হয় বরণ ও সিঁদুর খেলা। ভক্ত দিতিপ্রিয়া বণিক বলেন, দেবী চলে যাওয়ায় মন খারাপ হলেও তারা উৎসব করছেন।
মহানগর সার্বজনীন পূজা কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি তাপস কুমার পাল জানান, সপ্তমীতে চক্ষুদানের মাধ্যমে প্রতিমায় দেবীকে আহ্বান করা হয়। দশমীতে দর্পণ বিসর্জনের মধ্য দিয়ে পূজার আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটে। সিঁদুর খেলা আনন্দ-উৎসবের অংশ।
কমিটির সাধারণ সম্পাদক শুভাশীষ কুমার বিশ্বাস জানান, বিজয়া শোভাযাত্রা বেলা তিনটায় ঢাকেশ্বরী মন্দির থেকে শুরু হবে। শোভাযাত্রা শেষ হবে ওয়াইজঘাটে। ঢাকার ১১টি ঘাটে প্রতিমা বিসর্জন দেওয়া হবে। এবার রাজধানীর ২৫৮টি মণ্ডপে পূজা হয়েছে।
দশমী উপলক্ষে বঙ্গভবনে আয়োজিত রাষ্ট্রীয় শুভেচ্ছা বিনিময়ে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার।” সব ধর্মের মানুষের সমান নাগরিক সুবিধা নিশ্চিতে তিনি জাতীয় কমিটি গঠনের আহ্বান জানান। নিরাপদ পরিবেশে ধর্মপালনে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
সম্পাদক ও প্রকাশক: শাহীনা আজমীন ।। স্বত্ব © বরিশাল নিউজ ২০২৬
Developed By NextBarisal
মন্তব্য লিখুন