বরিশাল নিউজ
প্রকাশ : ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১৭ পিএম

বরিশালে জনৈকা নাদিয়া বেগম পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুবরণ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছেন ওই নারীকে বরিশালের জেলা কারাগারে নেয়ার পথে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেয়া হচ্ছিল। কিন্তু পথেই তিনি মারা যান।
মৃত নাদিয়া উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের কৃষ্ণকাঠি গ্রামের এনামুল হক মন্টু গাজীর স্ত্রী। তাঁদের আড়াই বছর বয়সী একটি কন্যাশিশু রয়েছে। তাঁর মৃতদেহ বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহ ধরে বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশ এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে আসছে। এর ধারাবাহিকতায় ৮ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৩টার দিকে কৃষ্ণকাঠি গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে নাদিয়াকে আটক করে পুলিশ।
বাকেরগঞ্জ থানার ওসি আদিল হোসেন বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানান, আটককৃত নারীর কাছ থেকে তিনটি মোবাইল ফোন এবং মাদক কারবারের নগদ ১৯ হাজার ৪০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
এনামুল হক বলেন, ‘আটকের সময় আমার স্ত্রীর কাছে কোনো মাদক পাওয়া যায়নি। জমি দখলের উদ্দেশ্যে কোনো মামলা ছাড়াই ওসি আদিল হোসেন ও সেকেন্ড অফিসার এসআই তোফাজ্জল হোসেনকে দিয়ে পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। থানায় আটকে রেখে নির্মম শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।’
অভিযোগের ব্যাপারে বরিশালের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বাকেরগঞ্জ সার্কেল) মাসুম বিল্লাহ জানান, ধারাবাহিক মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবেই নাদিয়াকে আটক করা হয়েছিল এবং আদালতে পাঠানোর সময় তাঁর মৃত্যু হয়।
মাসুম বিল্লাহ বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাঁর সঙ্গে থাকা মাদকদ্রব্য (ইয়াবা) সেবনের কারণে এই মৃত্যু ঘটতে পারে। তবে ময়নাতদন্ত ও চিকিৎসকের আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। বিষয়টিতে তদন্ত চলছে।’
পুলিশ হেফাজতে নারীর মৃত্যু, নির্যাতনের দাবি
বরিশালে জনৈকা নাদিয়া বেগম পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুবরণ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছেন ওই নারীকে বরিশালের জেলা কারাগারে নেয়ার পথে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নেয়া হচ্ছিল। কিন্তু পথেই তিনি মারা যান।
মৃত নাদিয়া উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের কৃষ্ণকাঠি গ্রামের এনামুল হক মন্টু গাজীর স্ত্রী। তাঁদের আড়াই বছর বয়সী একটি কন্যাশিশু রয়েছে। তাঁর মৃতদেহ বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত এক সপ্তাহ ধরে বাকেরগঞ্জ থানা পুলিশ এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালিয়ে আসছে। এর ধারাবাহিকতায় ৮ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৩টার দিকে কৃষ্ণকাঠি গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে নাদিয়াকে আটক করে পুলিশ।
বাকেরগঞ্জ থানার ওসি আদিল হোসেন বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে জানান, আটককৃত নারীর কাছ থেকে তিনটি মোবাইল ফোন এবং মাদক কারবারের নগদ ১৯ হাজার ৪০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
এনামুল হক বলেন, ‘আটকের সময় আমার স্ত্রীর কাছে কোনো মাদক পাওয়া যায়নি। জমি দখলের উদ্দেশ্যে কোনো মামলা ছাড়াই ওসি আদিল হোসেন ও সেকেন্ড অফিসার এসআই তোফাজ্জল হোসেনকে দিয়ে পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে। থানায় আটকে রেখে নির্মম শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের কারণেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।’
অভিযোগের ব্যাপারে বরিশালের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বাকেরগঞ্জ সার্কেল) মাসুম বিল্লাহ জানান, ধারাবাহিক মাদকবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবেই নাদিয়াকে আটক করা হয়েছিল এবং আদালতে পাঠানোর সময় তাঁর মৃত্যু হয়।
মাসুম বিল্লাহ বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তাঁর সঙ্গে থাকা মাদকদ্রব্য (ইয়াবা) সেবনের কারণে এই মৃত্যু ঘটতে পারে। তবে ময়নাতদন্ত ও চিকিৎসকের আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন পাওয়ার পরই মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। বিষয়টিতে তদন্ত চলছে।’
সম্পাদক ও প্রকাশক: শাহীনা আজমীন ।। স্বত্ব © বরিশাল নিউজ ২০২৬
Developed By NextBarisal
মন্তব্য লিখুন