বরিশাল নিউজ, পিরোজপুর
প্রকাশ : ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৮ পিএম

পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় কোনো হিমাগার নেই। ফসল সংরক্ষণ করতে না পেরে মৌসুমে কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে কৃষকদের।
মঠবাড়িয়ার উর্বর মাটিতে বছরজুড়ে নানা ফসল হয়। আলু, টমেটো, করলা, ভুট্টা, শিম ও বেগুন চাষ করে জীবিকা চালান অনেকে। উপজেলার ১১টি ইউনিয়নেই বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ হয়।
সংরক্ষণের ব্যবস্থা না থাকায় মৌসুমে ফসলের দাম পড়ে যায়। পচে যাওয়ার ভয়ে কৃষকেরা অনেক সময় উৎপাদন খরচের চেয়েও কমে বিক্রি করেন। হিমাগারের দাবি তাদের দীর্ঘদিনের।
কৃষক সিদ্দিকুর রহমান বলেন, মৌসুমে একসঙ্গে অনেক টমেটো বাজারে আসে। তখন প্রতি কেজির দাম পাঁচ টাকাও মেলে না। হিমাগার থাকলে ১৫ থেকে ২০ দিন সংরক্ষণ করে ভালো দামে বেচা যেত বলে তিনি জানান।
আলুচাষিদেরও ভোগান্তি রয়েছে। স্থানীয়ভাবে বীজ আলু রাখার সুযোগ না থাকায় প্রতিবছর অন্য জেলা থেকে চড়া দামে বীজ কিনতে হয়। এতে উৎপাদন খরচ বাড়ে।
কৃষকদের ভাষ্য, হিমাগার হলে মধ্যস্বত্বভোগীদের ওপর নির্ভরতা কমত। ফসলের অপচয়ও কম হতো।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ কামরুন নেছা সুমি জানান, মঠবাড়িয়ায় সরকারিভাবে কোনো হিমাগার নেই। এ অঞ্চলে একটি হিমাগার খুবই জরুরি বলে মত দেন তিনি। প্রতিটি ইউনিয়নে ছোট আকারের মিনি হিমাগার হলেও কৃষকেরা উপকৃত হবেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সম্পাদক ও প্রকাশক: শাহীনা আজমীন ।। স্বত্ব © বরিশাল নিউজ ২০২৬
Developed By NextBarisal
মন্তব্য লিখুন