বরিশাল নিউজ ডেস্ক
প্রকাশ : ২১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:৫৮ পিএম

ছাদে সৌরবিদ্যুৎ চালু হলেও জেলা প্রশাসকের কার্যালয়গুলোর নেট মিটারিংয়ের আবেদন এখনো প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
দেশের জেলা প্রশাসক ও পাঁচটি বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতের মোট সক্ষমতা ৫.০৭ মেগাওয়াট। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়গুলোতে জুন পর্যন্ত সক্ষমতা ছিল ৪ হাজার ৬৬৩ কিলোওয়াট। কমিশনারের কার্যালয়গুলোতে ছিল ৪০৫.৫ কিলোওয়াট। সরকারি ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ কর্মসূচির অগ্রগতি প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এ কর্মসূচিতে সরকারের ব্যয় হয়েছে প্রায় ১৫ কোটি ১৪ লাখ ৮৬ হাজার টাকা।
বরিশাল বিভাগে বরগুনায় ৬০ এবং পিরোজপুর, পটুয়াখালী ও ঝালকাঠিতে ৫০ কিলোওয়াট করে সক্ষমতা রয়েছে। বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে আছে ২০ কিলোওয়াট। বরিশাল ও ভোলা জেলার তথ্য পাওয়া যায়নি।
শরীয়তপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে ২৪ কিলোওয়াটের ব্যবস্থা বসানো হয়েছে। ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ওজোপাডিকো) শরীয়তপুর কার্যালয় জানায়, কার্যালয়টিতে মাসে প্রায় ৫ হাজার ইউনিট বিদ্যুৎ লাগে। সৌরবিদ্যুৎ থেকে মাসে পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ৮০০ ইউনিট। নেট মিটারিংয়ের আবেদন প্রক্রিয়াধীন থাকায় বাড়তি বিদ্যুতের বিল সমন্বয় এখনো শুরু হয়নি।
ইনস্টিটিউট ফর এনার্জি ইকোনমিকস অ্যান্ড ফাইন্যান্সিয়াল অ্যানালাইসিসের (আইইইএফএ) লিড অ্যানালিস্ট শফিকুল আলম বলেন, নেট মিটারিং সংযোগে দীর্ঘসূত্রতা এড়াতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
সরকারের নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র ২০২৬-২০৩০-এ ২০৩০ সালের মধ্যে সাড়ে ১০ হাজার মেগাওয়াট নবায়নযোগ্য সক্ষমতার লক্ষ্য রয়েছে। এর মধ্যে সাড়ে ৫ হাজার মেগাওয়াট আসবে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ থেকে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: শাহীনা আজমীন ।। স্বত্ব © বরিশাল নিউজ ২০২৬
Developed By NextBarisal
মন্তব্য লিখুন