Advertise top
বরিশাল

নাটোর দুর্ঘটনা; পটুয়াখালীর বাবা-মেয়ে নিহত, মা- ছেলে হাসপাতালে

বরিশাল নিউজ, পটুয়াখালী

প্রকাশ : ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১২ পিএম    

নাটোর দুর্ঘটনা; পটুয়াখালীর বাবা-মেয়ে নিহত, মা- ছেলে হাসপাতালে
বাবা শহিদুল ইসলাম ও মেয়ে তাসফিয়া খাতুন।

নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার বনপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র এলাকায় মঙ্গলবার ভোররাতে বাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১৪  জনের মধ্যে  পটুয়াখালীর বাবা- মেয়ে শহিদুল ইসলাম ও তাসফিয়া খাতুন।

 

 শহিদুল ইসলাম (৪০) পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার মির্জাগঞ্জ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের মির্জাগঞ্জ গ্রামের বাসিন্দা। তিনি ব্র্যাক ব্যাংকের মাগুরা শাখার ব্যবস্থাপক ছিলেন। নিহত শহিদুলের মেয়ে তাসফিয়া খাতুন (৮) দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল।

 

নিহত শহিদুলের স্ত্রী রুবিনা আক্তার পূবালী ব্যাংকের সুবিদখালী শাখার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা। তাদের ছেলে লাবিব (১২) সুবিদখালী রেসিডেন্সিয়াল স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র।  শহিদুলের বড় ভাই ফারুক হোসেন বলেন, শহিদুলের স্ত্রী রুবিনা বেগম ও তার বড় ছেলে লাবিব আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি আছেন।

 

ফারুক হোসেন বলেন, “রাজশাহীতে রুবিনার ছোট বোনের বাড়িতে যাওয়ার সে ছেলে- মেয়েকে নিয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী আরপি পরিবহনের একটি বাসে রুবিনা মাগুরার উদ্দেশে রওনা হন।শহিদুল মাগুরায় স্ত্রী ও সন্তানদের জন্য অপেক্ষা করছিলেন।

 

“সেখানে পৌঁছানোর পর শহিদুল ওই বাসেই উঠে রাজশাহীর উদ্দেশে রওনা হন। পথে ভোর সাড়ে ৪টার দিকে নাটোরের বনপাড়া এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ট্রাকের সঙ্গে তাদের বহনকারী বাসটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই শহিদুল ও তার মেয়ে মারা যান।”

 

 তিনি বলেন , দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর বাড়িতে শোকের মাতম চলছে। বাড়ির আঙিনায় কবর খোঁড়ার কাজ চলছে।

 

এদিকে রুবিনার বোন জামাই শহিদুর রহমান বলেন, ‘দুর্গাপূজার ছুটিতে ওরা সপরিবারে আমাদের বাড়িতে আসছিল। লাবিব-তাসফিয়া আর আমার দুই সন্তান খুব আনন্দিত ছিল। ভোরে ঘুম থেকে উঠে ওরা কোথায় আছে জানতে শহিদুলকে ফোন করি। কিন্তু তিনি ফোন ধরেননি। ফজরের নামাজ শেষে আবার ফোন করলে এক পুলিশ সদস্য দুর্ঘটনার খবর জানান। এরপরই আমরা নাটোরের উদ্দেশে রওনা হই।’

 


মন্তব্য লিখুন


সম্পাদক ও প্রকাশক: শাহীনা আজমীন ।। স্বত্ব © বরিশাল নিউজ ২০২৬

Developed By NextBarisal