বরিশাল নিউজ, পটুয়াখালী
প্রকাশ : ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩৩ পিএম

বন্দোবস্ত পাওয়ার দাবিতে তরমুজখেতের জন্য রাঙ্গাবালীর সংরক্ষিত বনের ঝাউগাছ উপড়ে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। বন বিভাগ বলছে, জমিটি বনের।
বন বিভাগের ভাষ্য অনুযায়ী, কাউখালীর চরসাইনবোর্ড এলাকায় শনিবার, ১৭ অক্টোবর বিকালে খননযন্ত্র নিয়ে সংরক্ষিত বনে ঢোকেন আরিফ মীর, সাব্বির মীর, মানিক মোল্লাসহ কয়েকজন। তারা ঝাউবাগানের ৪০০ থেকে ৫০০ গাছ উপড়ে ফেলেন। এরপর মাটি কেটে বেড়িবাঁধ ও সীমানাপ্রাচীর তৈরি করা হয়। বন বিভাগ ওই রাতেই রাঙ্গাবালী থানায় সাধারণ ডায়েরি করে।
কাউখালী বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জালাল আহমেদ খান জানান, ২০২২ সালে এখানে ৩০ হেক্টর জমিতে ঝাউগাছ লাগানো হয়েছিল। বাধা দেওয়ার পরও অভিযুক্তরা মাটি কাটা চালিয়ে যান। বন বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, একই ব্যক্তিরা ২০২৫ সালের ১৮ নভেম্বর প্রায় ২৫ হাজার ঝাউগাছ নষ্ট করেছিলেন। ওই ঘটনায় করা মামলা এখনো চলছে।
আরিফ মীরের দাবি, উপজেলা প্রশাসনের কাছ থেকে বৈধভাবে জমি বন্দোবস্ত নিয়েই তারা তরমুজখেত করছেন। বন বিভাগ অহেতুক ঝামেলা করছে বলেও দাবি করেন তিনি।
বন বিভাগ সূত্রে জানা যায়, বনভূমিকে খাসজমি দেখিয়ে অভিযুক্তদের নামে বন্দোবস্ত দেওয়া হয়েছিল। এ ঘটনায় ভূমি কার্যালয়ের তহশিলদারসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। বন্দোবস্ত বাতিলে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা জাহিদুর রহমান ৩ আগস্ট ও ১৫ অক্টোবর জেলা প্রশাসককে চিঠি দেন।
রাঙ্গাবালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাজমুল হাসান জানান, উভয় পক্ষকে কাগজপত্রসহ ডাকা হয়েছে। জমিটি বনের হলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আবদুল কাইয়ুম জানান, চিঠিটি সোমবার, ১৯ অক্টোবর তার হাতে এসেছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সম্পাদক ও প্রকাশক: শাহীনা আজমীন ।। স্বত্ব © বরিশাল নিউজ ২০২৬
Developed By NextBarisal
মন্তব্য লিখুন