অপহরণের নাটক সাজাচ্ছিলেন তিথী !

ধর্ম অবমাননার অভিযোগে ঢাকার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বহিস্কৃত ছাত্রী তিথী সরকারকে ১১ই নভেম্বর  নরসিংদীর মাধবদী থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) দাবি করেছে তিথী সরকার ইচ্ছাকৃতভাবে ‘আত্মগোপনে থেকে গ্রেফতার/অপহরণের নাটক সাজাচ্ছিলেন’।

তবে তিথী সরকারের পরিবারের সদস্যরা এই অভিযোগ নাকচ করেছেন। তারা তিথী সরকার নিখোঁজ ছিলেন বলে অক্টোবরের ২৭ তারিখ পল্লবী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছিলেন।

তিথী সরকারের বিরুদ্ধে ২রা নভেম্বর পল্টন থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা করে সিআইডি – ওই মামলাতেই তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। মামলায় ‘ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত’ এবং ‘সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি’ ঘটানোর অভিযোগ আনা হয় তার বিরুদ্ধে।

বিভিন্ন সময়ে ফেসবুক আইডি থেকে ধর্মীয় উস্কানিমূলক পোস্ট করার অভিযোগ আনা হয়েছে তার বিরুদ্ধে।

তিথী সরকার জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী।

বিভিন্ন সময় তার ফেসবুক আইডি থেকে ধর্মীয় উস্কানিমূলক পোস্ট, কমেন্ট ও শেয়ার করেছিলেন বলে গত ২৪শে অক্টোবর তার বিরুদ্ধে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে কিছু শিক্ষার্থী।

এর ধারাবাহিকতায় ২৬শে অক্টোবর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিথীকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার করা হয়।

পল্লবী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কাজী ওয়াজেদ আলী জানান, গত ২৭শে অক্টোবর সকালে তিথি সরকারের বোন থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি দায়ের করেন।

তিনি জানিয়েছিলেন, “২৫শে অক্টোবর সকালে ঘর থেকে বের হয়ে যাওয়ার পর থেকে তিথি সরকারের আর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না।”

তিথী সরকার নিজে ২৩শে অক্টোবর নিজের ‘ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক’ হয়েছে এই অভিযোগ করে ঢাকার পল্লবী থানায় একটি সাধারণ ডায়রি দায়ের করেছিলেন বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তা ওয়াজেদ আলী।

বরিশাল নিউজ/ ডেস্ক নিউজ