বজ্রপাতে ঝরে গেছে ১১ প্রাণ

ঈদের দিনে বজ্রপাতে নয় জেলায় ১১ জন নিহত হয়েছেন। এরমধ্যে টাঙ্গাইলে ৩, ময়মনসিংহ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, মেহেরপুর, বাগেরহাট, কক্সবাজার, হবিগঞ্জ, নোয়াখালী ও নরসিংদীতে একজন করে মারা গেছেন।

টাঙ্গাইল

জেলার কালিহাতীতে ঈদের নামাজে যাওয়ার জন্য গোসল করতে নদীতে নেমে বজ্রপাতে তিন কিশোর ও যুবকের মৃত্যু হয়েছে। ওই তিনজন হলেন উপজেলার হাতিয়া এলাকার মো. আরিফ, মো. রাকিব ও মো. ফয়সাল। তিন পরিবারের তিনজনের বয়স ১৫ থেকে ২০ বছরের মধ্যে।

ময়মনসিংহ

জেলার নান্দাইলের  জাহাঙ্গীরপুর ইউনিয়নের বাতুয়াদী গ্রামে ঈদের নামাজ পড়তে গিয়ে বজ্রপাতে আল মামুন নামে এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। ২৩ বছর বয়সী আল মামুন ওই গ্রামের আব্দুল মালেক মাস্টারের ছেলে। তিনি কিশোরগঞ্জ গুরুদয়াল সরকারি কলেজের বাংলা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র ছিলেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া

জেলার আখাউড়ায় ঈদের নামাজ শেষে বাবার কবর জিয়ারত করতে গিয়ে বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে রনি মিয়া নামে একজনের।

মেহেরপুর

জেলা সদর ঈদের নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে আব্দুর রাজ্জাক নামে এক ব্যক্তির। স্থানীয়দের বরাত দিয়ে মেহেরপুর সদর থানার ওসি মো. জুলফিকার বিষয়টি জানিয়েছেন।

বাগেরহাট

জেলার মোংলায় ঈদের নামাজ পড়ে বাড়ি ফেরার পথে বজ্রপাতে মৃত্যু হয়েছে মহির শেখ নামে এক দিনমজুরের। বজ্রপাতে প্রাণ হারানো মহিরের পরিবারকে অর্থ সহায়তা দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কমলেশ মজুমদার।

কক্সবাজার

সদর উপজেলার চৌফলদণ্ডীর নতুন মহাল মাঝেরপাড়ায় বজ্রপাতে শামসুল আলম নামে লবণচাষির মৃত্যু হয়েছে। শামসুল আলম নতুন মহাল মাঝেরপাড়ার ইসমাইলের ছেলে। আহত হয়েছেন একই এলাকার প্রয়াত আজম আলীর ছেলে দেলোয়ার।

হবিগঞ্জ

জেলার আজমিরীগঞ্জে বাড়ির পাশে পুকুরে গোসল করতে নেমে বজ্রপাতে শাহজাহান মিয়া নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে।

এ ঘটনায় আহত হয়েছেন সত্যলাল দাস নামে আরও একজন। আহত সত্যলালকে আজমিরীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

নোয়াখালী

জেলার দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় বজ্রপাতে জিহাদ হোসেন নামে ৯ বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। জিহাদ উপজেলার বয়ারচর ইউনিয়নের পূর্ব নবীপুর গ্রামের সাহেদ উদ্দিনের ছেলে।

এ ঘটনায় আহত হয়েছে সাথী আক্তার নামে ১২ বছরের এক শিশু। হাতিয়া থানার ওসি আমির হোসেন বলেন, আহত শিশুটিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দিয়ে বাড়িতে পাঠানো হয়েছে।

নরসিংদী

 সদর উপজেলার শিলমান্দী ইউনিয়নের গনেরগাঁও শাহী ঈদগাহে  নামাজে দোয়া করার সময় কালবৈশাখীর আঘাতে লন্ডভন্ড হয়ে যায় ঈদগাহ । এ সময় ৬০ বছর বয়সী জালাল উদ্দিন নিহত হন। তিনি সদর উপজেলার মহিষাশুড়া ইউনিয়নের বানিয়াদি গ্রামের মৃত মেহের আলীর ছেলে।

এ ছাড়া আহতদের মধ্যে বানিয়াদি গ্রামের মৃত ডা. তমিজউদ্দিনের ছেলে ডা. আলাল, সামসু মিয়ার ছেলে গোলজার মিয়া, মাহফুজ আহমেদ ও তার বাবা আব্দুল লতিফ অন্যতম।

বরিশালনিউজ/ ডেস্ক নিউজ