মজুদে ৩ নয়, চলবে ১০ মাস

দেশে বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ ৪৩ দশমিক ১৭ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংক বছরের শেষ ব্যাংকিং দিবসে মজুদের এই তথ্য দিয়েছে । এরফলে ব্যাংকের এ মজুদ দিয়ে তিন মাসের পরিবর্তে ১০ মাসের আমদানি ব্যয় পরিশোধ করা সম্ভব ।

নতুন বছর ঘিরে এমন একটি সুখবর দিয়ে ব্যাংককাররা বলেছেন,সরকারি উদ্যোগ,রেমিট্যান্স আর উদ্যোক্তাদের উদ্যোম মিলে এসেছে অর্থনৈতিক এই সক্ষমতা ।

প্রতি ডলার ৮৫ টাকা হিসাবে বৈদেশিক মুদ্রায় মজুদের পরিমাণ ৩ লাখ ৬৬ হাজার ৯৪৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেটের অর্ধেকের বেশি। চলতি বছরে বাজেটের আকার ৫ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকা।

মজুদ বাড়াতে সবচেয়ে বেশি সহযোগিতা করেছে প্রবাসী আয়। প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্স অনেক বেড়েছে। চলতি অর্থবছরের পাঁচ মাসে দেশে ১ হাজার ৯০ কোটি ৪৪ লাখ ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ দাঁড়ায় ৯২ হাজার ৬৮৭ কোটি টাকা।  ২০২০ সালের ডিসেম্বরের ২৯ তারিখ পর্যন্ত প্রবাসী আয় এসেছে ১ দশমিক ৯১ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি।

আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী, একটি দেশের কাছে অন্তত তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর সমপরিমাণ বিদেশি মুদ্রার মজুত থাকতে হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের এ মজুদ দিয়ে কমপক্ষে ১০ মাসের আমদানি ব্যয় পরিশোধ করা সম্ভব।

ব্যাংকাররা বলছেন, সংকটে পড়লে এ মজুদ অর্থনীতির গতি ধরে রাখতে কাজে দেবে। আমদানি দায় মেটাতে সমস্যায় পড়তে হবে না।

বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্র অনুযায়ী, দেশের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম চলে এই বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ/রিজার্ভ দিয়ে। স্বর্ণ, বৈদেশিক মুদ্রা ও ডলার এই তিন ক্যাটেগরিতে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুদ/রিজার্ভ রাখা হয় দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন ব্যাংকে। এই অর্থ বিভিন্ন দেশের বন্ড ও বিলে বিনিয়োগ করা হয়। প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা কেনাবেচাও করে বাংলাদেশ।

বরিশাল নিউজ/ ডেস্ক নিউজ