দাম আরও বাড়বে !

বরিশালের বাজারে গত একমাস ধরে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যসামগ্রী ক্রেতাদের কিনতে হচ্ছে বেশি দামে । এরমধ্যে বৃহস্পতিবার সরকার তেল, চিনি ও ডালের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে। ব্যবসায়ীরা বলেছেন ২/১ দিন পরে দাম আরও বাড়বে ।

পোর্ট রোডের ব্যবসায়ী সিদ্দিকুর রহমান বলেছেন আগের কেনা বলে আজও (শুক্রবার) দাম কমই আছে। তবে ২/১ দিনের মধ্যে তা বাড়ানো হবে। তিনি আরও বলেন, কোম্পানির লোক তাদের বলে গেছেন, ১৫৫ টাকা তাদের তেলের রেট, এরপর ব্যবসায়ীরা যে দামে বিক্রি করে পারেন।

বাজার রোডের জনতা মুদি ভান্ডরের ব্যবসায়ী নিউটন ঘোষ বলেছেন , দাম ৪/৬/১০ টাকা করে বাড়ছে জিতে।

নগরীর বড় বাজারে আজ ১০ সেপ্টেম্বর চিনি এক কেজি বিক্রি হয়েছে ৮০ টাকা, মুসুরীর ডাল দেশি ১০০ টাকা,ভারতের ডাল ৮০ থেকে ৯০ টাকা এবং সয়াবিন তেল এক লিটারের বোতল ১৫০ টাকা । নগরীর অন্য এলাকা এবং অলিগলির  দোকানে এই দাম আরও কিছু বেশি।

ক্রেতা আরিফুর রহমানের বাড়ি বাবুগঞ্জের চাঁদপাশা। কর্মস্থল বরিশাল বলে তিনি সব সময় বরিশাল থেকে কেনাকাটা করেন। আরিফ বলেন,তাদের গ্রামে এসব পণ্যের দাম আরও বেশি। তাই তিনি বাড়ী যাওয়ার সময় বরিশাল নগরী থেকেই বাজার করে নেন।

বেশ কয়েকজন ক্রেতা বলেছেন এসব মিডিয়ায় প্রচার করে কোন লাভ নাই। ব্যবসায়ীরা মিডিয়া ,মনিটরিং সেল এবং ভোক্তা অধিকারকে পণ্যের যে দাম বলেন তার চেয়ে বেশি দামে তাদের কিনতে হচ্ছে।

 আরেক ক্রেতা মানিক জানান,তিনি বেশিরভাগ সময় টিসিবির তেল,ডাল,চিনি কিনে থাকেন। কিন্তু এখন টিসিবির পণ্য পাওয়া খুবই কষ্ট। কোথায় যে বিক্রি করে তার হদিস পাওয়া যায় না।

এ ব্যাপারে কথা বলেন টিসিবির ডিলার মো. রানা এবং মো.নাসির উদ্দিন। তারা জানান,পণ্যের দাম বেশি বাড়লে সরকার টিসিবির ট্রাক বাড়ায়। আর নাগালের মধ্যে থাকলে ট্রাক কমিয়ে দেয়। তারা বলেন, রোজার সময় ১০ ট্রাকে পণ্য বিক্রি হতো। তারপর ধীরে ধীরে তা কমে এখন দুই ট্রাক পণ্য বিক্রি হচ্ছে। প্রতি ট্রাকে আগে পণ্য পাওয়া যেত তিন টন করে। গত ৭ আগস্ট থেকে পাওয়া যাচ্ছে দেড় টন করে। এরমধ্যে প্রতি ট্রাকে সয়াবিন তেল ৬০০ কেজি, তিনি পাঁচশ কেজি এবং ডাল থাকে চারশ কেজি। কুরবানি ঈদের পর থেকে এই তেলের দাম ১০ টাকা বাড়িয়ে করা হয়েছে ১০০ টাকা, চিনি আর ডাল পাঁচ টাকা করে বাড়িয়ে বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকা করে।

বরিশাল নিউজ/ এম.এম. হাসান