জ্বালানি তেল: নিরুপায় হয়ে দাম বাড়ানো হয়েছে-মন্ত্রণালয়

জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো প্রসংগে মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে অনেকটা নিরুপায় হয়ে তাদের দাম কিছুটা সমন্বয় করতে হয়েছে। তবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে সে অনুযায়ী জ্বালানি তেলের দাম পুনর্বিবেচনা করা হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদকে উদ্ধৃত করে বলা হয় বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাংলাদেশের তুলনায় অনেক বেশি। বিজ্ঞপ্তিতে তিনি আরও বলেন, ২০১৬ সালের এপ্রিল মাসে সরকার জ্বালানি তেলের দাম কমিয়ে দিয়েছিল। যত দিন সম্ভব ছিল, সরকার তত দিন সরকার জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর চিন্তা করেনি।

জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের ওই বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, এখন থেকে ডিজেলের দাম হবে প্রতি লিটার ১১৪ টাকা, যা এত দিন ৮০ টাকা ছিল। কেরোসিনের দামও একই হারে বাড়ানো হয়েছে। নতুন দাম ডিজেলের সমান, অর্থাৎ ১১৪ টাকা।

বাড়ানো হয়েছে পেট্রল ও অকটেনের দামও। পেট্রলের নতুন দাম প্রতি লিটার ১৩০ টাকা, যা এত দিন ৮৬ টাকা ছিল। অকটেনের দাম ৮৯ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা করা হয়েছে।

জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে দেশে দাম কম থাকায় তেল পাচারের আশঙ্কার কথাও উল্লেখ করেছে। এতে বলা হয়েছে, ভারতের কলকাতায় ডিজেলের দাম প্রতি লিটার বাংলাদেশি মুদ্রায় ১১৪ টাকা। পেট্রলের দাম ১৩০ টাকা। দেশে দাম কম থাকায় পাচার হওয়ার আশঙ্কা থেকেও জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো সময়ের দাবি।

জ্বালানি মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, বিপিসি গত ছয় মাসে (ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাই) জ্বালানি তেল বিক্রি করে ৮ হাজার ১৪ কোটি ৫১ লাখ টাকা লোকসান দিয়েছে। অবশ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমতির দিকে। আগামী দিনগুলোয় তা আরও কমবে।

বরিশালনিউজ/ ডেস্ক নিউজ