জানাজায় লোকারণ্য হাটহাজারী মাদ্রাসা, আহমদ শফীর দাফন সম্পন্ন

হেফাজতে ইসলামীর প্রয়াত আমীর আহমদ শফীকে জানাজা শেষে মাদ্রাসার গোরস্থানে দাফন করা হয়েছে। জানাজা পড়িয়েছেন তার বড় ছেলে মাওলানা মোহাম্মদ ইউসুফ। তার ছেলে আনিস মাদানী গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, তাঁর শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী হাটহাজারী মাদ্রাসা প্রাঙ্গণেই জানাজা ও দাফন হয়েছে ।

আহমদ শফীর মৃতদেহ সকালে ঢাকা থেকে চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে

পৌঁছানোর আগেই সেখানকার জানাজায় যোগ দিতে অনুসারীদের ঢল নামে।

জানাজায় অংশ নেয়া লোকজন প্রায় দেড় কিলোমিটার এলাকাজুড়ে অবস্থান

করছিলেন।

সকাল নটা নাগাদ আহমদ শফীর মৃতদেহ হাটহাজারীতে পৌঁছায়।

এরপর পুলিশী প্রহরায় আহমদ শফীর মৃতদেহ প্রথমে নেয়া হয় ঈদগাহ সংলগ্ন এলাকায় তাঁর অস্থায়ী বাড়িতে। সেখানে কিছুক্ষণ রাখার পর মৃতদেহ নেয়া হয় হাটবাজার মাদ্রাসায় এবং সেখানে তাঁর কার্যালয়ের পাশেই মৃতদেহ রাখা হয়।

অতিমাত্রায় ভিড় তৈরি হওয়ার কারণে হাটহাজারী এলাকায় সড়কপথ বন্ধ করে দেয়া হয়। বন্ধ হয়ে যায় উপজেলার সব ধরণের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান।

অনাকাঙ্খিত পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য সেখানে মোতায়েন করা হয় বিজিবিসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিপুল সংখ্যক সদস্য।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কর্তৃপক্ষ সকালেই চট্টগ্রাম -খাগড়াছড়ি মহাসড়ক হাটহাজারী অংশে যান বন্ধ করে দেয় কর্তৃপক্ষ।

ফলে দূরদূরান্ত থেকে লোকজন এসে বেশ দূর থেকেই হেঁটে মাদ্রাসার দিকে আসেন।

ছাত্র আন্দোলনের জের ধরে বৃহস্পতিবার হাটহাজারী মাদ্রাসার পরিচালক পদ থেকে পদত্যাগ করেন তিনি। এর পরপরই অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। তাঁকে প্রথমে চট্টগ্রামের একটি হাসপাতালে নেয়া হয় তাকে। পরদিন হেলিকপ্টারে ঢাকার একটি হাসাপাতালে নেয়ার পর শুক্রবার মৃত্যু হয় তাঁর। বরিশাল নিউজ / ডেস্ক নিউজ