“দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে যেন কেউ ছিনিমিনি খেলতে না পারে”

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, “জাতির পিতাকে হত্যা করে তারা দেশের মানুষের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছিল। ভবিষ্যতে কেউ যেন আর এমন ছিনিমিনি খেলতে না পারে।”

আজ সোমবার কৃষকলীগের আয়োজনে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে স্বেচ্ছায় রক্ত ও প্লাজমাদান কর্মসূচিতে ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নিয়ে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতির পিতার হত্যার পর দেশের কী উন্নতি হয়েছে? দেশ চলে গেলো মার্শাল ল’তে। ক্ষমতা দখল করে কুক্ষিগত করা হলো। তারা ক্ষমতায় এসে পুরো নির্বাচনী ব্যবস্থা ধ্বংস করে। ইনডেমনিটি দেয়। জাতির পিতার খুনীদের রক্ষা করে। যুদ্ধাপরাধীদের ক্ষমতায় নিয়ে আসে। স্বাধীনতার চেতনা থেকে দেশকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার সব আয়োজন করলো। মিথ্যা অপবাদ দিয়ে আমাদের চোর ডাকাত বানালো। দেশের মানুষ কী পেলো?

নেতাকর্মীদের রক্তদানে উৎসাহিত করে আওয়ামী লীগ সভাপতি বলেন, জাতির পিতার আদর্শের প্রতিটি নেতাকর্মী মানুষের সেবায় সব সময় পাশে থাকবে নিবেদিত প্রাণ হয়ে। বঙ্গবন্ধুর জীবনে ক্ষমতার কোনো লোভ ছিল না বলে জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধু জীবনের প্রতিটি মুহূর্তে মানুষের জন্য কাজ করেছেন। শত কষ্টের পরও কোথাও অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি। তার জীবনে ক্ষমতার কোনো লোভ ছিল না। বঙ্গবন্ধু মানুষের কষ্ট সহ্য করতে পারেননি। তিনি মানুষের জন্য কাজ করে গেছেন। তিনি দেশের মানুষের জন্য আত্মত্যাগের নজির রেখে গেছেন। বঙ্গবন্ধু নিশ্চিত ছিলেন বাঙালির বিজয় হবেই। যে কারণে কারাগারে থাকা অবস্থায়ও তিনি মনোবল হারাননি। অথচ এই আগস্টেই জাতির কাছ থেকে বঙ্গবন্ধুকে কেড়ে নিয়েছিল ঘাতকের দল।

তিনি বলেন, উন্নত দেশগুলো যখন হিমশিম খায়, তখন আমরা সাশ্রয়ী হচ্ছি। এটার অর্থ এই নয়, আমরা লুটপাট করছি। লুটপাট তো বিএনপি করেছে।

 আমি দেখেছি- বিএনপি নেতারা হারিকেন নিয়ে আন্দোলন করছে। তাদের হাতে হারিকেনই ধরিয়ে দিতে হবে। আর মানুষকে ভালো রাখতে আমরা সব কাজ করছি। সেটাই করবো।

কৃষকলীগের সভাপতি সমীর চন্দের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক উম্মে কুলসুম স্মৃতির সঞ্চালনায় এতে আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী ও ড. আব্দুর রাজ্জাক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, সাংগঠনিক সম্পাদক আফজাল হোসেন, কৃষি ও সমবায় সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ।

বরিশালনিউজ/ ডেস্ক নিউজ