জনগণের অধিকার নিয়ে কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেব না: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘জাতির পিতা ১০ জানুয়ারি দেশে ফিরে এসে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র কীভাবে চলবে সেই নীতিনির্ধারণী বক্তৃতা দিয়েছিলেন। যে আদর্শ নিয়ে বাংলাদেশ চলবে সেই আদর্শ তিনি ব্যক্ত করেছিলেন। আর সেই আদর্শ নিয়েই আমাদের চলতে হবে। বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ মঙ্গলবার,১১ জানুয়ারি জাতির পিতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির ভাষণে এ কথা বলেন।

তিনি গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয় ২৩ বঙ্গবন্ধু অ্যাভেনিউয়ে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন।

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকলে এ দেশের উন্নয়নের চাকা গতিশীল থাকবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, খুনি-যুদ্ধাপরাধী, দুর্নীতিবাজদের কোনো স্থান বাংলার মাটিতে হবে না। এই কথাটা তাদেরকে স্পষ্ট জানিয়ে দিতে হবে। তিনি বলেন, ‘জনগণের অধিকার নিয়ে আমরা কাউকে ছিনিমিনি খেলতে দেব না।’

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের মানুষের ভোটের অধিকার নিয়ে অতীতে যারা ছিনিমিনি খেলেছে তারা তাদের শাস্তি পেয়েছে। বাংলাদেশের মানুষ তাদের ক্ষমতা থেকে হঠিয়েছে। আর জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছি বলেই আমরা আজ ১৩ বছর পূর্ণ করতে পেরেছি এবং পরপর তিন বার ক্ষমতায় আসতে পেরেছি। জনগণের ভোটে নির্বাচিত না হলে সেটা সম্ভব ছিল না। এটা হচ্ছে বাস্তবতা। আর এই বাস্তবতাকে স্বীকার করতে হবে।

বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানের কারাগারে ২৯০ দিন বন্দী থাকার পর ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি লন্ডন ও নয়াদিল্লি হয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের পবিত্র মাটিতে ফিরে আসেন। এর আগে ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যা শুরু হলে ২৬ মার্চ প্রথম প্রহরে জাতির পিতা স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। যা ইপিআর এর ওয়্যারলেস যোগে সারাদেশে প্রচার করা হয়। এরপরই পাকিস্তানি বাহিনী তার বাসভবন ধানমন্ডি ৩২ আক্রমণ করে জাতির পিতাকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়।

এরপর থেকে জাতি ১০ জানুয়ারি জাতির পিতার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস হিসাবে পালিত হচ্ছে।

বরিশাল নিউজ/ ডেস্ক নিউজ