চাঁদমারী এলাকায় সাপ্লাই লাইনের পাইপ ফেঁটে ভোগান্তি

বরিশাল নিউজ॥ বরিশাল নগরীর ১০ নম্বর ওয়ার্ড চাঁদমারী এলাকায় সিটি কর্পোরেশনের সংযোগ পাইপ ফেটে আশপাশ এলাকায় জলবদ্ধ অবস্থা দেখা দিয়েছে। অন্তত দুই সপ্তাহ ধরে পানি বের হলেও মেরামতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কোন উদ্যোগ নিচ্ছে না। এনিয়ে ১০ নম্বর ও ১৬ নম্বর ওয়ার্ডবাসীর মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ভোগান্তিতে  রয়েছে কয়েক হাজার পরিবার। 

স’ানীয়দের অভিযোগ, তীব্র গরমের কষ্টে আছেন তারা । তার মধ্যে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে ঘরে নেই সাপ্লাইর পানি। সারা দিন রোজা রেখে পানির কারনে পড়তে পারচ্ছিনা নামাজ। বিষয়টি স্থানীয় কাউন্সিলরকে বেশ কয়েকবার বলা হলেও তিনি নেননি কোন পদক্ষেপ। পানির কারনে ১০ ও ১৬ নম্বার ওয়ার্ডের মানুষজন পড়েছেন চরম ভোগান্তিতে।

১০ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি সাইফুল ইসলাম জানান, চাঁদমারী মসজিদের অদুরে কাউন্সিলরের বাসার সামনে তিনটি রোডের মুখের পানির পাইপটি ফেটে দীর্ঘদিন ধরে পানি বের হয়ে আশপাশ এলাকা তলিয়ে গেছে। অব্যাহতভাবে পানি বের হতে থাকায় ডিসির বাংলোর সড়কটি একটি বড় অংশ ডুবে রয়েছে। ফলে যানবাহনসহ পথচারী চলাচলে ভোগান্তি দেখা দিয়েছে। বিষয়টি সপ্তাহ খানেক আগে ওয়ার্ড কাউন্সিলরকে এলাকাবাসীর পক্ষে একাধিকবার অবহিত করা হলেও তিনি কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।

আরো পড়ুন: দখিনের জনপদে আবাদে আগ্রহী হচ্ছেন চাষীরা

তবে কাউন্সিলর শহিদুল্লাহ কবির জানান, একাধিকবার বিসিসির পানি শাখায় অবগত করা হয়েছে। তারপর ও বিসিসি থেকে কেউ আসে নি। তবে চেষ্টা চলছে মেরামত করার।

স্থানীয় এক বাসিন্দা গণমাধ্যমকে জানান, সর্বশেষ গত দুদিন ধরে পাইপটি থেকে বেশি পরিমাণ পানি বের হয়ে যাওয়ায় আমবাগানের বাসিন্দারা ভোগান্তিতে পড়েছেন। এখন অনেকেই বাসা-বাড়ির ট্যাপে পানি পাওয়া যাচ্ছেন না। খবরটি সিটি কর্পোরেশনের পানি শাখাকে অবহিত করা হলে সেখান থেকেও মেরামতে উদ্যোগ নেই।

একটি সূত্র জানায়-একজন স্যানিটারি মিস্ত্রি দেখে মেরামতে ৬ হাজার টাকার প্রয়োজনীয়তা জানিয়েছিলেন। এই বিষয়টিও কাউন্সিলর ও তার বড়ভাইকে অবহিত করা হয়েছিল। বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের পানি শাখার প্রকৌশলী ওমর ফারুককে ফোন করে অবহিত করা হয়। কিন্তু তিনি এ ব্যাপারে সরাসরি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র সাথে কথা বলার পরামর্শ দেন। ওয়ার্ডবাসী চলমান করোনা দুর্যোগে সামাজিক দুরত্বের কারণে মেয়র পর্যন্ত যেতে পারেনি।

এই বিষয়ে জানতে পানি শাখার প্রকৌশলী ওমর ফারুকের মুঠোফোনে একাধিকবার কল দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

বরিশাল নিউজ/স্টাফ রিপোর্টার