সংক্রমন বেড়ে যাওয়ায় বরিশাল হলুদ জোনে

করোনা সংক্রমনের ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় সবুজ জোন থেকে বাদ পড়েছে বরিশাল। গত এক সপ্তাহে শনাক্তের হার বেড়ে ৫ থেকে ১০ শতাংশের মধ্যে পড়ায় বরিশাল, পটুয়াখালী,ঝালকাঠি ও পিরোজপুর জেলা হলুদ বা মধ্যম ঝুঁকিতে পড়েছে ।

ঢাকা ও রাঙ্গামাটিসহ ১২ জেলাকে করোনা সংক্রমণের অধিক ঝুঁকিপূর্ণ দেখছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ ছাড়া মধ্যম ঝুঁকিতে রয়েছে ৩২ জেলা। আর সবুজ জোনে রয়েছে ১৬ জেলা।

গত এক সপ্তাহের তথ্য বিশ্লেষণ করে স্বাস্থ্য অধিদফতর  বুধবার, ১৯ জানুয়ারি সকালে এ ঘোষণা দেয় ।

এর আগে ১২ জানুয়ারি স্বাস্থ্য অধিদফতর জানায়, করোনা সংক্রমণের রেড জোন (লাল তালিকা) হিসাবে ঢাকা ও রাঙামাটি, ইয়োলো জোন (হলুদ তালিকা) হিসেবে ৬টি জেলা ও গ্রিন জোন (সবুজ তালিকা) হিসাবে বরিশারসহ ৫৪টি জেলাকে চিহ্নিত করা হয়। এছাড়া খুবই কম সংখ্যক টেস্ট করার তালিকায় দুটি জেলাকে চিহ্নিত করা হয়।

অধিক ঝুঁকিপূর্ণ জেলাগুলো হলো— গাজীপুর, রাজশাহী, যশোর, কুষ্টিয়া বগুড়া, দিনাজপুর, রাঙ্গামাটি, লালমনরিহাট, খাগড়াছড়ি, পঞ্চগড়। আগের দুটি ঢাকা ও রাঙ্গামাটি।

প্রতিষ্ঠানটির তথ্যে দেখা যায়, রাজধানীতে করোনা সংক্রমণের হার ২৮ দশমিক ১১ শতাংশ এবং রাঙ্গামাটিতে করোনা সংক্রমণের হার ১০ দশমিক ৭১ শতাংশ।

এ ছাড়া চট্টগ্রাম জেলায় শনাক্তের হার ১৪.৪৮ শতাংশ, গাজীপুর করোনা সংক্রমণের হার ১০ দশমিক ৪৯, রাজশাহী ১৪.৭৪ শতাংশ, যশোর ১১ দশমিক ২১, কুষ্টিয়া ১১.৩৮ শতাংশ বগুড়া ১১.৮৪ শতাংশ, দিনাজপুর ১১.২৬ শতাংশ, লালমনরিহাট ১০ দশমিক ৭১, খাগড়াছড়ি ১০ দশমিক ১৯ শতাংশ, পঞ্চগড় ১০ দশমিক ৩৮ শতাংশ।

হলুদ জোন বা মধ্যম ঝুঁকিতে যে ৩২ জেলা— এসব জেলার শনাক্তের হার ৫ – ১০ শতাংশের মধ্যে। এগুলো সিলেট, ফেনী, নারায়ণগঞ্জ, নোয়াখালী, কক্সবাজার, মৌলভীবাজার, ফরিদপুর, মুন্সীগঞ্জ, লক্ষ্মীপুর, শরীয়তপুর, ময়মনসিংহ, খুলনা, বরিশাল, মানিকগঞ্জ, সিরাজগঞ্জ, গোপালগঞ্জ, রংপুর, জামালপুর, নওগাঁ, ঝিনাইদাহ, নাটোর, সাতক্ষীরা, পিরোজপুর, বাগেরহাট, মাগুরা, নড়াইল, পটুয়াখালী, কুড়িগ্রাম, জয়পুরহাট, শেরপুর, ঝালকাঠি, ঠাকুরগাঁও।

ঝুঁকিমুক্ত ১৬টি জেলায় শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে। এগুলো হলো- ব্রাহ্মণবাড়ীয়া, হবিগঞ্জ, নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, সুনামগঞ্জ, টাঙ্গাইল, মাদারীপুর, রাজবাড়ী, ভোলা, নেত্রকোনা, গাইবান্ধা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, বরগুনা, চুয়াডাঙ্গা, নীলফামারী, মেহেরপুর।

বরিশাল নিউজ/ স্টাফ রির্পোটার