করোনা ওয়ার্ডে ঠাঁই নাই

ডা.আবদুর রাজ্জাক। শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক। তার কাছে আজ দুপুরে জানতে চেয়েছিলাম করোনাভাইরাস সংক্রমনের এই দ্বিতীয় ঢেউয়ে রোগীদের নিয়ে কেমন আছেন ? এক কথায় বললেন “খুব খারাপ আবস্থায় আছি।” দ্বিতীয় প্রশ্ন করার আগেই বললেন, করোনা ওয়ার্ডে সিট ১৫০টি। রোগী আছেন ১৪৬ জন। করোনাকালীন ডাক্তার দেওয়া হয়েছিলো ৪০ জন। এ্যাক্টিভ আছেন ২৮ জন। চিকিৎসা সরঞ্জামের অভাবের কথাও বলে গেলেন তিনি। এতক্ষণে সুযোগ পেয়ে জানতে চাইলাম এ ব্যাপারে আপনার কর্তৃপক্ষ কী বলেছেন ? তিনি জানান,চাহিদাপত্র পাঠিয়েছি-কোন রেসপন্স পাচ্ছি না।

গত বছর করোনাভাইরাসের প্রার্দুভাব শুরু হলে শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অব্যবহৃত নতুন নির্মিত ভবনে করোনা ইউনিট চালু করা হয়। সেখানে করোনা রোগীদের জন্য ১২টি আইসিইউ বেডসহ ২শ শয্যা চালু করার কথা ছিলো। কিন্তু চালু হয়েছে ১৫০টি। বাকি ৫০ দ্রুত চালু করার দাবি স্বাস্থ্য বিভাগের।

বরিশালের স্বাস্থ্য বিভাগীয় পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার জানান, খুবই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে বরিশাল। বর্তমানে এখানে শনাক্তের হার প্রায় ২৪ ভাগ।

শেবাচিম হাসপাতালের ইনডোর ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ডা. সুদীপ হালদার জানান, শুরুতে সবচেয়ে জরুরি হাই ফ্লো ন্যাজাল ক্যানুলার একটিও ছিলো না বরিশালে। তখন বিত্তবানদের কাছে হাত পেতে ৫-৬টি ন্যাজাল ক্যানুলা যোগার করা হয়েছিলো । পরে সরকারিভাবে আসা ক্যানুলা মিলিয়ে ২২টিতে দাঁড়ায়। এখন এর ১০টি অচল।

আব্দুর রাজ্জাক বললেন, হাসপাতালে কয়েক মাস ধরে পরিচালকের পদ শুন্য। ভারপ্রাপ্ত হিসাবে আমার ক্ষমতা সীমিত। সেই অবস্থায় থেকে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি মাত্র।

 বরিশাল নিউজ/ স্টাফ রিপোর্টার

Leave a Reply

Your email address will not be published.