ইন্টারন্যাশনাল ক্রিকেট কাউন্সিলের (আইসিসি) বর্ষসেরা ক্রিকেটার নির্বাচিত হয়েছেন বিরাট কোহলি। খেলার তিন ফর্মেটেই দারুণ সব ইনিংস উপহার দেয়ার স্বীকৃতি হিসেবে বিশ্ব ক্রিকেট নির্বাহী সংস্থার এ খেতাব অর্জন করেন ভারতীয় অধিনায়ক।
আইসিসির বার্ষিক পুরস্কার হিসেবে বর্ষসেরা টেস্ট খেলোয়াড় নির্বাচিত হন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক স্টিভ স্মিথ। চতুর্থ ভারতীয় খেলোয়াড় হিসেবে সম্মানজনক এ গ্যারি সোবার্স ট্রফি পুরস্কার পেলেন কোহলি। এর আগে ভারতীয় খেলোয়াড় হিসেবে শচিন টেন্ডুলকার (২০১০), রাহুল দ্রাবিড় (২০০৪) এবং রবিচন্দ্রন অশ্বিন (২০১৬) এ পুরস্কার লাভ করেন।
এক বিবৃতিতে কোহলি বলেন, ‘প্রথমবার গ্যারি সোবার্স ট্রফি জিতলাম এবং এটা আমার জন্য এক বড় সম্মান।’

২০১২ সালের পর দ্বিতীয়বার বিশ্ব সেরা ওয়ানডে ব্যাটসম্যানের স্বীকৃতিও লাভ করেন কোহলি।
ভোটের জন্য নির্ধারিত ২০১৬ সালের ২১ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১৭ সালের শেষ দিন পর্যন্ত টেস্টে আটটি সেঞ্চুরিসহ ৭৭.৮০ গড়ে মোট ২২০৩ রান করেছেন কোহলি।
একই সমেয় সাতটি সেঞ্চুরিসহ ওয়ানডে ক্রিকেটে তার মোট রান ১৮১৮।
কেবলমাত্র বর্ষ সেরা ক্রিকেটার কিংবা বর্ষসেরা ওয়ানডে ব্যাটসম্যান নয় আইসিসির টেস্ট ও ওয়ানডে অধিনায়কও নির্বাচিত হয়েছেন ২৯ বছর বয়সী এ তারকা খেলোয়াড়।
নিজ মাঠে সব সিরিজ জিতে কোহলির নেতৃত্বেই ২০১৭ সালে ভারত বিশ্ব টেস্ট র‌্যাংকিংয়ের শীর্ষ স্থান দখল করে। ভারতীয় ওয়ানডে ও টি-২০ দলের ও নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি।
সেরা টেস্ট ব্যাটসম্যানদের তালিকায় সবার উপড়ে আছেন স্মিথ। ২০১৫ সালেও তিনি এ পুরস্কার পেয়েছিলেন।
ভোটের জন্য নির্ধারিত গত ১৫ মাসে ১৬ টেস্টে ৭৮.১২ গড়ে আটটি সেঞ্চুরি ও পাঁচটি হাফ সেঞ্চুরিসহ মোট ১৮৭৫ রান করেছেন স্মিথ।
তিনি বলেন, ‘সত্যিই আমার একটি ভাল বছর কেটেছে। আমার মনে হয় পুরো বছরে আমি ছয়টি সেঞ্চুরি করেছি এবং সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ন বিষয় হচ্ছে একটি এ্যাশেজ সিরিজ জয়ে দলের নেতৃত্ব দেয়া। সত্যিই আমি গর্বিত এবং আমি টেস্ট ক্রিকেট খেলতে ভালবাসি। এটা এমন একটা খেলা যা আপনার দক্ষতা ও মানসিকতার পরীক্ষা নিব।’
বর্ষ সেরা উদীয়মান ক্রিকেটারের পুরস্কার জিতেছেন পাকিস্তানী পেসার হাসান আলী। এসোসিয়েট ক্রিকেটার অব দ্য ইয়ার পুরস্কার জিতেছেন আফগানিস্তানের রশিদ খান।
সতীর্থ মোহাম্মদ নবীর সঙ্গে গত বছর আকর্ষনীয় ইন্ডিয়ান প্রিমিয়া ও লীগে (আইপিএল) াভিষেক হওয়া পর থেকেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজের জাত চেনান ১৯ বছর বয়সী রশিদ।