মার্চ ৫, ২০১৮

বরিশালে পানের দাম এপ্রিলে আগে কমছে না


বরিশালে গত দুই মাস ধরে পানের পাইকারি মোকামগুলোতে রেকর্ডমূল্যে পান বিক্রি হচ্ছে। খুচরা বাজারেও এর প্রভাব পরেছে। বিক্রেতারা জানান,গেল শীতে বেশী ঠান্ডা পড়ায় পানের উৎপাদন কম হয়। এ কারণে চাহিদা মিটাতে না পারায় দাম বেড়ে গেছে।
বিক্রেতারা আরো বলেন, আগামী এপ্রিল মাসের আগে পানের দাম নিন্মমুখী হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

বরিশালের উজিরপুর ও গৌরনদী উপজেলায় প্রায় ৮০ ভাগ কৃষক ধান ও মাছের পরেই পান চাষ করে থাকেন। এবার তাদের ক্ষতি সবচেয়ে বেশী হয়েছে। দাম বাড়িয়ে তারা এখন কিছুটা ক্ষতি পুষিয়ে নিতে চান।
উজিরপুরের পানচাষি গৌরাঙ্গ লাল জানান, নিয়মানুযায়ী নতুন করে পাতা উৎপাদন না হওয়ায় মাঘ মাস থেকে পানের যোগান কমে গেছে। গৌরনদীর এলাহী পান আড়তের মালিক মোঃ নুরুজ্জামান ফরহাদ জানান, সরবরাহ কম থাকায় স্বাভাবিকভাবেই পানের দাম বেড়ে গেছে।
বরিশাল নগরীর নথুল্লাবাদ পানের মোকামের পাইকারি পান ব্যবসায়ীদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ভালমানের পানের প্রতি গাদি বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে ২৮ হাজার টাকা, যা আগে ছিল ২২ হাজার টাকা, মাঝারি মানের প্রতি গাদি পান বিক্রি হচ্ছে ২৪ হাজার টাকায়, যা আগে ছিল ১৩ হাজার টাকা ও ছোট পানের প্রতি গাদি বিক্রি হচ্ছে ছয় হাজার টাকা, যা আগে ছিল মাত্র ১৬শ’ টাকা।
পান বিক্রেতাদের হিসাব অনুযায়ী প্রতি ৮০পিস পানে এক বিড়া আর প্রতি ৮০বিড়ায় এক গাদি পান হয়। নগরীসহ জেলার দশটি উপজেলার উল্লেখযোগ্য পানের মোকামের সবশেষ খুচরা বিক্রির তথ্য অনুযায়ী, ভালমানের পানের প্রতিবিড়া বিক্রি হচ্ছে ৩৫০ টাকা, যা আগে ছিল ১২৫ থেকে ১৫০ টাকা, মাঝারি মানের প্রতিবিড়া পান বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকায়, যা আগে ছিল ১৪০ টাকা ও ছোট আকারের পানের প্রতিবিড়া বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়, যা আগে ছিল ২০ থেকে ২৫ টাকা করে।
নগরীর বাজার রোডের খুচরা পান বিক্রেতা দুলাল রায় বলেন, মান অনুযায়ী পানের দাম বিড়াপ্রতি ১৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। এতো দামে পান আগে কখনও বিক্রি হয়নি বলেন তিনি।
বরিশাল নিউজ/এমএম হাসান

Subscribe to the newsletter

Fames amet, amet elit nulla tellus, arcu.