জুলাই ২২, ২০২১

ধার-দেনা করে চামড়া ক্রয়

আর্থিক সংকট ব্যয় পুশিয়ে নেয়ার কোন আশা না দেখে বরিশালের বাজারে চামড়া সংগ্রহ নিয়ে তেমন একটা তোড়জোড় নেই ব্যবসায়ীদের তারপরও যে চামড়া সংগ্রহ করা হচ্ছে তা হয় হ্যাচকা দামে নয়তো বাকিতে কিনছেন ব্যবসায়ীরা

আর এসব চামড়ার বেশিরভাগই আসছে মাদ্রাসা থেকে আসা। চামড়া ব্যবসায়ীরা বলেছেন,এবারে বাজারে চামড়া নিয়ে আসা সরবরাহকারীদের মধ্যে মৌসুমী ব্যবসায়ীদের সংখ্যা খুবই কম । তাদের মতে চামড়ার দাম না থাকায় মৌসুমী ব্যবসায়ীরা মাঠ পর্যায়ে চামড়া সংগ্রহ করেননি।

মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের হয়ে বাজারে চামড়া নিয়ে আসা ব্যক্তিরা বলছেন,দর না থাকায় তারা তেমন একটা চামড়া ক্রয় করেননি। বেশিরভাগ চামড়াই এলাকাভিত্তিকভাবে বিনামূল্যে সংগ্রহ করা হয়েছে।

 তারা বলেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই সরকার নির্ধারিত রেট পাওয়া যাচ্ছে না। সকল চামড়ার দরই আলোচনা করে ঠিক করে কিনছেন ব্যবসায়ীরা ।

বরিশালের পদ্মাবতী এলাকার চামড়া ব্যবসায়ী মোঃ শামিম উল্লা বলেন, এবারে চামড়া সংগ্রহের কোন ইচ্ছাই ছিলো না আমার। ট্যানারি ব্যবসায়ীদের কাছে লাখ লাখ টাকা আটকে থাকায় এখন নিজের কাছে থাকা ও ধার করা সামান্য কিছু টাকা নিয়ে চামড়া কিনতে বসেছি। বলতে পারেন দীর্ঘদিনের অভ্যাসের কারনেই চামড়া কিনতে বসেছি।

তিনি বলেন,যাও বা কিনছি তার মধ্যে কিছু বাকিতেও অর্থাৎ পরবর্তীতে টাকা দেয়ার শর্তেও কিনতে হচ্ছে, আবার যদি একটি চামড়ার দর ৪শত টাকা হয় সেখানেও ৫০ টাকা কমিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছেন। কারন পুজি স্বল্পতার কারনে চামড়া কেনার পাশাপাশি তা সরবরাহ করে লবন দিয়ে রাখার ব্যয়ের বিষয়টিও হিসাব করতে হচ্ছে।

বরিশাল চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির সহ-সাধারণ সম্পাদক মোঃ নাছির বলেন,এক সময়ে বহু চামড়া ব্যবসায়ী বরিশালে থাকলেও ট্যানারি মালিকদের কাছে টাকা আটকে যাওয়ায় অনেকে এই ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন,এবছর ধার-দেনা করে চামড়া সংগ্রহ করছি, সেখানে হয়তো বাকিতে আর নগদ মিলিয়ে নিজে সর্বোচ্চ ৬ হাজার পিস চামড়া সংগ্রহ করতে পারি। ঈদের আগে যদি ট্যানারি মালিকরা পাওনা থেকে কিছু টাকাও দিতো তাহলে হয়তো আরো চামড়া সংগ্রহ করতে পারতাম।

বরিশাল নিউজ /স্টাফ রিপোর্টার

Subscribe to the newsletter

Fames amet, amet elit nulla tellus, arcu.