জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে নদী ভাঙ্গনের সাথে সাথে দ্বীপজেলা ভোলার আয়তন দিন দিন ছোট হয়ে আসছে।হুমকির মুখে পড়ছে নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্য ও জীবন-জীবিকা । সেই সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে জলবায়ু উদ্বাস্ত মানুষের সংখ্যা। তবে যথাযথ সহায়তা পেলে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুপ প্রভাব মোকাবিলায় উপকূলীয় জেলা ভোলার মানুষ মানিয়ে নিতে পারবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এর জন্য সময়োপযোগী পদক্ষেপের উপর গুরুত্বারোপ করেছেন ভোলায় আয়োজিত এক কর্মশালার বক্তারা।
জেলা প্রশাসনের আয়োজনে সোমবার (১২ ফেব্র্বয়ারি) স্থানীয় জলবায়ু পরিবর্তন ও অভিযোজন বিষয়ক অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন। জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) এর সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে এ কর্মশালার উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহা. সেলিম উদ্দিন । এ সময় জেলা প্রশাসক মোহা. সেলিম উদ্দিন জলবায়ু পরিবর্তনে বিরুপ প্রভাব মোকাবিলায় একাডেমিক জ্ঞানের সাথে স্থানীয় মানুষের জ্ঞান কাজে লাগিয়ে সঠিক পরিকল্পনার মাধ্যমে সমন্বিত পথ নকশা তৈরি করার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন। জলবায়ু অভিযোজনে শিশু ও যুবদের ক্ষমতায়িত করার লক্ষ্যে তাদেরকেও সুযোগ দিতে হবে বলেন জেলা প্রশাসক।
স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মাহমুদুর রহমানের সভাপতিত্বে কর্মশালায় আলোচনায় অংশ নেন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা ফরিদ মিয়া, প্লানিং ও মনিটরিং অফিসার আল মুমিন মো. গোলাম সরোয়ার, প্রোগ্রাম অফিসার আ: জলিল, ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতি কর্মসূচী (সিপিপি) উপ-পরিচালক মো. শাহাবুদ্দিন, ইয়ূথনেট ফর ক্লাইমেট জাস্টিসের সমন্নয়ক সোহানুর রহমান, যুবরেড ক্রিসেন্টের যুব প্রধান আদিল হোসেন তপু প্রমূখ।
বরিশাল নিউজ/প্রেসরিলিজ