মার্চ ৯, ২০১৮

একুশ পদকপ্রাপ্ত নিখিল সেনকে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা দিল প্রেসক্লাব

শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত বরিশাল প্রেসক্লাবের সদস্য, সংস্কৃতিজন নিখিল সেন পদক একুশে পদক পাওয়ায় শুক্রবার রাতে তাকে বর্ণাঢ্য সংবর্ধনা দিয়েছে বরিশাল প্রেসক্লাব । প্রেসক্লাব চত্বরে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ফুল দিয়ে নিখিল সেনকে সংবর্ধনা জানান বরিশাল সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আহসান হাবিব কামালসহ বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান।
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এসএম ইমামুল হক, বরিশাল জেলা আওয়ামী লীগের সম্পাদক ও সংসদ সদস্য তালুকদার মোঃ ইউনুস, ওর্য়াকার্স পার্টির জেলা সম্পাদক ও সংসদ সদস্য শেখ মোঃ টিপু সুলতান, বরিশাল জেলা প্রশাসক মোঃ হাবিবুর রহমান, সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আব্দুল মোতালেব হাওলাদার, ভাষা সৈনিক ইউসুফ হোসেন কালু, মহানগর আওয়ামী লীগের সম্পাদক একে এম জাহাঙ্গির, মহানগর মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার মোকলেসুর রহমান, ওর্য়াকার্স পার্টির মহানগর আহ্বায়ক শান্তি দাস, গণফোরাম সভাপতি হিরন কুমার দাস মিঠু, জাসদের আব্দুল হাই মাহাববু, মানবাধিকার জোট সভাপতি ডাঃ হাবিবুর রহমান, অধ্যাপক সাইদুনেছা লায়লা প্রমুখ।
ক্লাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এম এম আমজাদ হোসেন এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসেন। অনুষ্ঠানে মানপত্র পাঠ করেন ক্লাবের সাবেক সভাপতি মানবেন্দ্র বটব্যাল। নিখিল সেনের জীবনী পাঠ করেন সংস্কৃতিজন নজরুল ইসলাম চুন্নু ও উত্তরিও পড়িয়ে দেন সাংবাদিক নুরুল আলম ফরিদ।
নিখিল সেন বাংলাদেশের একজন প্রতিথযশা নাট্যকার ও সংস্কৃতিকর্মী। তিনি একজন অভিনয় শিল্পী, নাট্যকার, আবৃতিশিল্পী, ভাষা সৈনিক, মুক্তিযোদ্ধা এবং রাজনীতিবিদ। আবৃত্তিতে অবদান রাখার জন্য ২০১৫ সালে শিল্পকলা পদক লাভ করেছেন। সর্বশেষ নাটকে বিশেষ অবদান রাখার জন্য বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার একুশে পদক লাভ করেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার হাতে এই সম্মাননা তুলে দেন। এর আগেও ১৯৯৬ সালে শিল্পকলা একাডেমি সম্মাননা, ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ গ্র্বপ থিয়েটার ফেডারেশন সম্মাননা ও ২০০৫ সালে শহীদ মুনীর চৌধুরী পুরস্কার পান।
১৯৩১ সালের ১৬ এপ্রিল বরিশালের কলশ গ্রামে নিখিল সেন জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা যতীশ চন্দ্র সেনগুপ্ত ও মা সরোজিনী সেনগুপ্ত। তিনি বাবা মায়ের ১০ সন্তানের মধ্যে চতুর্থ। নিখিল সেন মাধ্যমিক পাশ করে কোলকাতা সিটি কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করে আবার বরিশালে ফিরে আসেন। সিরাজের স্বপ্ন নাটকে সিরাজ চরিত্রে অভিনয় করার মধ্য দিয়ে নাট্যজীবন শুরু করেন নিখিল সেন। এরপর তিনি অনেক নাটকে অভিনয় করেছেন। নিজেই দিক নির্দেশনা দিয়েছেন ২৮টি নাটকে। নিখিল সেন কমিউনিস্ট আন্দোলনে ভূমিকা রেখেছেন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ শুরু হলে নিখিল সেন যুদ্ধে যোগদান করেন।
বরিশাল নিউজ/এমএম হাসান

Subscribe to the newsletter

Fames amet, amet elit nulla tellus, arcu.